‘দেশ বা দশের কথা ভেবে কিচ্ছু হবে না, নিজে বাঁচলেই বাপের নাম’ -এই একটি বাক্যই কি আমার রাষ্ট্রের আপামরের দর্শন বুঝাতে যথেষ্ট নয়? নাকি এ কথায়ও দ্বিমত জানাবেন কেউ?

২১ ফেব্রুয়ারি, ২৬ মার্চ বা ১৬ ডিসেম্বরেও আমরা আত্মপ্রচার ছাড়া আর কিইবা করি? এসব রাষ্ট্রীয় দিবসে যে দেশপ্রেম প্রদর্শিত হয়, আদতে কি তা ধারণ করি কেউ?

রাজনীতিবিদদের সমালোচনায় মুখে ফেনা তুলে ফেলা ‘কথিত’ সুশীল বা প্রগতিশীলদের মাঝে তো দূরের কথা, আম-জনতার মাঝেও কি আমরা কোনো দেশপ্রেমিকের দেখা পাই?

© eon’s photography — Kuakata Guest House

নিরীহপনাকে বাঙালের দুর্বলতা ভেবে
সেই পর্তুগীজ দস্যু থেকে শুরু করে
ওই পাকি-হায়েনারা যে বীজ এই
উর্বর ভূমিতে রোপণ করে গেছে;
তার জেরে শুধু অনাস্থাই বেড়েছে।
হয়ত এ কারণেই আজও নিশ্চিন্তে
স্বাধীন পতাকা দিয়ে মুখ বেঁধেই
তোর-মোর মাকে চুদে যায় ওরা
বাণিজ্যের কনডম লাগিয়ে, আর
আমরা দেখেও দেখি না তা। তাই
জন্মের ৪০ বছর পরবর্তী তারুণ্য
নিয়েও কতটুকুই বা আশাবাদী
হতে পারে এই দেশ? একটুও কি?

মন্তব্য করুন

হলি আর্টিজান স্মরণের দিনেই মাজারে শরিয়ত প্রতিষ্ঠায় আল্টিমেটাম!

ওরসে বাউল গানেও আপত্তি রূপগঞ্জের ওলামাদের, ‘জঙ্গি’ ট্যাগিংয়ের অভিযোগ।

Designed with WordPress

Discover more from One-man Newsroom বাংলা

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading