বাম থেকে ছালমা, বাবুল ও মিন্নি

বাবা বা মায়ের পরকীয়ার বলি হওয়া, তথা অবৈধ সম্পর্কে কথা জেনে যাওয়ায় খুন হওয়া সন্তানদের একটি তালিকা তৈরী শুরু করেছিলাম গত দশকে; শেষ করতে পারিনি। এখন মনে হচ্ছে পরকীয়ার কারণে বাদি থেকে আসামি হওয়া স্বামী-স্ত্রীদের একটি তালিকাও তৈরী করা যেতে পারে। 

২০১৬ সালের মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যা মামলার বাদি নিহতের স্বামী চট্টগ্রামে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তার প্রায় পাঁচ বছর পর আজ তাঁর শ্বশুরের দায়ের করা নতুন মামলায় প্রধান আসামি হলেন। ঘটনাটি ২০১৯ সালের বরগুনায় চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় তাঁর স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির এক নম্বর সাক্ষী থেকে সাত নম্বর আসামি হওয়ার ঘটনাটি মনে করিয়ে দেয়। একই বছর ডিসেম্বরে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে রফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।তাঁর স্ত্রী উম্মে ছালমা মরদেহটি শনাক্ত করে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ঠিক এক বছর নতুন মামলা দায়ের করে আসামি হিসেবে সেই ছালমাকে আটক করে পুলিশ।

এই তিন হত্যাকাণ্ডই পরকীয়া প্রসূত; কীয়েক্টাবস্থা!

Leave a Reply

Designed with WordPress

Discover more from One-man Newsroom বাংলা

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading