![]() |
| ২০১৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর ফেসবুক প্রোফাইলের ছবি রূপে প্রকাশ করা করা এ চিত্রের ক্যাপসনে প্রবীর লিখেছিলেন – গত জুনে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী হিসেবে ৬ দিন চীনে ছিলাম। ছবিটি তারই একটি মুহূর্ত। |
![]() |
| স্ক্রীনসট |
স্বপন সাংবাদিকদের বলেন, “জীবনহানির আশঙ্কা প্রকাশ করে তার জন্য মন্ত্রীকে দায়ী করে ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন প্রবীর শিকদার। এভাবে তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহারের মাধ্যমে মন্ত্রীর সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে।” এখানে উল্লেখ্য যে, মুসা বিন শমসেরের শেকড়ও কিন্তু এই ফরিদপুরে। আর তিনি আবার প্রধানমন্ত্রীর ফুপাতো ভাই ও আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের বেয়াই (ছেলের শ্বশুর)।
এর আগে গত ১০ অগাস্ট ‘আমার জীবন শংকা তথা মৃত্যুর জন্য যারা দায়ী থাকবেন’ শিরোনামের একটি স্ট্যাটাসে প্রবীর লিখেছিলেন – “আমি খুব স্পষ্ট করেই বলছি, নিচের ব্যক্তিবর্গ আমার জীবন শংকা তথা মৃত্যুর জন্য দায়ী থাকবেন : ১. এলজিআরডি মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপি, ২. রাজাকার নুলা মুসা ওরফে ড. মুসা বিন শমসের, ৩. ফাঁসির দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী বাচ্চু রাজাকার ওরফে মাওলানা আবুল কালাম আজাদ এবং এই তিন জনের অনুসারী-সহযোগীরা।”
![]() |
| ফেসবুকের কল্যাণে প্রবীর সিকদারের যে দুটি বইয়ের প্রচ্ছদ দেখলাম তার একটির নাম আবার ‘আমার বোন শেখ হাসিনা’। |
২০০১ সালে দৈনিক জনকণ্ঠের ফরিদপুর প্রতিনিধি থাকার সময় সন্ত্রাসীর হামলায় গুরুতর আহত হয়ে একটি পা হারিয়েছিলেন দুই সন্তানের জনক প্রবীর। তার অভিযোগ, একাত্তরে পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগী মুসা বিন শমসেরের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন লেখার কারণে মুসার ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা ওই হামলা চালায়। ওই সময় জনকণ্ঠের ‘সেই রাজাকার’ কলামে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুসা বিন শমসেরের বিতর্কিত ভূমিকার বিবরণ তুলে ধরেছিলেন এই সাংবাদিক, যার পরিবারের ১৪ জন মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন।
সর্বশেষ খবরে (১৭ আগস্ট দুপুরে) জানলাম, ফরিদপুরের কোনো আইনজীবি প্রবীর শিকদারের পক্ষে মামলা লড়তে আদালতে দাঁড়াবেন না। ফরিদপুর বারের এক নিয়মানুযায়ী কোনো আইনজীবি কারো বিরুদ্ধে মামলা করলে সেই আসামীর পক্ষে বারের অন্য কোনো আইনজীবি লড়তে পারবে না।’
এই ব্যাপারে দেশের আইনজীবি সমাজের মতামত জানতে চেয়ে ফেসবুকে লিখেছেন ডেইলি অবজার্ভার -এর সিনিয়র রিপোর্টার পুলক ঘটক। বহু পীড়নের শিকার হওয়া আরেক প্রতিবাদী অগ্রজ, সিনিয়র সাংবাদিক শওকত মিল্টনের কথা দিয়েই লেখাটি শেষ করছি। তিনি লিখেছেন, “প্রবীর শিকদার আওয়ামী লীগ করে, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লিখে এক পা রাজাকারদের দান করে, ক্র্যাচে ভর দিয়ে হেটে নিজ শহর ছেড়ে এখন আওয়ামী পুলিশের হেফাজতে। আমাদের তথাকথিত সুবিধাবাদী দালাল সাংবাদিক নেতারা কি করবেন? শালারা .. ”
প্রসঙ্গত, দেশের আরেক ধনকুবেরের মালিকানাধীন অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত একটি লেখাতেই ‘বিজনেস টাইকুন’ খ্যাত মুসা বিন শমসেরকে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তুলনা করা হয়েছিলো। এরই প্রতিবাদ সরূপ প্রবীর মুসাকে নিয়ে জনকণ্ঠে প্রকাশিত তার লেখাগুলো পুনঃপ্রকাশ করতে থাকেন। পুলিশ আটকের কয়েক ঘণ্টা আগেও – ‘জেনে নিন কে এই ‘প্রিন্স ড. মুসা বিন শমসের’!’ শিরোনামে প্রকাশিত একটি লেখা নিজের ফেইসবুক একাউন্ট থেকে শেয়ার করেন প্রবীর, সঙ্গে লেখেন- “যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ছে ! রেহাই নেই কারও !”
![]() |
| প্রবীরের আরেকটি ‘ফেসবুক স্ট্যাটাস’ |
কতিপয় পুরানো পোস্টঃ
সময় হুমকী আর হত্যালীলার
মুক্ত সাংবাদিকতা ও আত্মরক্ষার্থে …
সর্বোচ্চ সংকর জাতের সঙ্কট
সাংবিধানিক পিতা আইনে অনাত্মীয় !
রাষ্ট্রীয় শিশ্ন – ধর্ষন, খুন এবঙ …
দেশত্যাগ কি নভেরার প্রতিবাদ?
বাংলা জাগবেই জাগবে…
আহা কী অর্জন – কারচুপি, বর্জন …
ইসলামে ‘বেপর্দা’ নারীও নিরাপদ
বর্ষবরণে বস্ত্রহরণ কী পরিকল্পিত !‘
জার্নালিজম’ বনাম ‘ক্যাপিটালিজম’!
এ কোন উগ্রবাদের মহড়া …
যদি মনে শঙ্কা বিরাজে, সরকার লাগে কি কাজে ?
বিএম কলেজের একাংশে নারীরা নিষিদ্ধ !
বিশ্বের চেয়ে দেশের শান্তিরক্ষা কঠিন !





এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান